📰 ই-পেপার

দৈনিক করবার্তা

সত্যের সন্ধানে, প্রতিদিন

২৯ অক্টোবর ২০২৬ | বৃহস্পতিবার, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

আজ
🌅 সূর্যোদয়: -
🌇 সূর্যাস্ত: -

সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩১ AM

ব্রেকিং নিউজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতের সবজির চারা বিক্রি করে কোটি টাকার বাণিজ্য ● ঝালকাঠিতে মাধ্যমিক শিক্ষার মান বাড়াতে মতবিনিময় সভা ● পটুয়াখালীতে কোস্ট গার্ডের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ শেষ, অংশ নিলেন ৭ দেশের প্রশিক্ষণার্থী

← হোমপেজে ফিরুন

বাণিজ্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতের সবজির চারা বিক্রি করে কোটি টাকার বাণিজ্য

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | প্রতিবেদক: ডেস্ক রিপোর্ট

শীত মৌসুম সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃষকেরা বাণিজ্যিকভাবে নানা জাতের সবজির চারা উৎপাদন করছেন। এসব চারা বিক্রি করে জেলায় কোটি টাকার বাণিজ্য হচ্ছে। এতে সবজির মৌসুম শুরুর আগেই ভালো আয় করছেন কৃষকেরা।

কৃষি বিভাগ জানায়, স্থানীয় কৃষকেরা নিজেদের উদ্যোগে বীজতলা তৈরি করে চারা উৎপাদন করেন। চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় কোটি টাকার শীতকালীন সবজির চারা বিক্রি হবে। এবার চারার উৎপাদন ভালো হওয়ায় উৎপাদনকারীরা খুশি। কৃষকেরা সরাসরি বীজতলা থেকে চারা কিনে জমিতে লাগান।

সদর উপজেলার বেহাইর গ্রামের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন বীজতলায় শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদন হচ্ছে। প্রতি বছর ভাদ্র থেকে মাঘ মাস পর্যন্ত চলে এই কাজ। এবার সদর উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে চারা উৎপাদন করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, টমেটো, বেগুন, লাউ ও মরিচসহ বিভিন্ন উন্নত জাত।

চারার মান ও ফলন ভালো হওয়ায় জেলার বাইরে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও কৃষকেরা এখানে চারা কিনতে আসেন।

চারা উৎপাদনকারীরা জানান, প্রতি এক হাজার চারার দাম জাতভেদে এমন:

টমেটো: ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকা
ফুলকপি: ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা
মরিচ: ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা
বেগুন: ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা
বাঁধাকপি: ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা
ব্রকলি: ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা
লাউ: ২০,০০০ টাকা

চারা উৎপাদনকারী ওয়াসিম মিয়া বাসসকে বলেন, ‘আমরা শীত মৌসুমকে সামনে রেখে চারা উৎপাদন করি। এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় চারার মানও ভালো হয়েছে। আশা করছি চারার দামও ভালো পাবো।’

ভালো মানের চারা পেয়ে ক্রেতারাও খুশি। কৃষক আবদুল লতিফ বলেন, প্রতি বছর এই সময়ে তারা এই এলাকা থেকে চারা কিনে জমিতে লাগান। দেশীয় পদ্ধতিতে বীজতলা ও চারা রোপণ করায় সবজির ফলন ভালো হয়।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজেরা বেগম বলেন, ‘প্রতি মৌসুমে প্রায় কোটি টাকারও বেশি চারা ক্রয়-বিক্রয় হয়। চারা উৎপাদনের প্রসার ও কৃষকদের দক্ষতা বাড়াতে কৃষি বিভাগ নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কৃষকদের ঋণ দিয়ে সহযোগিতা করা হবে।’

সূত্র: বাসস

twistcircle — বট-মুক্ত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, শীঘ্রই আসছে