📰 ই-পেপার
দৈনিক করবার্তা

দৈনিক করবার্তা

সত্যের সন্ধানে, প্রতিদিন

1 October 2026 | বৃহস্পতিবার, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি

সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৬ PM

ব্রেকিং নিউজ
ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়াল এনবিআর ● ঝালকাঠিতে নদীতে নিখোঁজের ৩৪ ঘণ্টা পর জেলের মরদেহ উদ্ধার ● নওগাঁয় কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু, প্রথম ধাপে পেলেন ১,৭৮০ কৃষক

← হোমপেজে ফিরুন

অর্থনীতি

২০৩৫ সালের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে নিতে এনবিআরের পরিকল্পনা

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: দেশের কর-জিডিপি অনুপাত বর্তমান ৬ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এ লক্ষ্যে করের আওতা বাড়ানো, কর পরিপালন জোরদার, প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এনবিআরের প্রস্তাবিত ‘ওয়ান এনবিআর’ কাঠামোর আওতায় তিনটি কর বিভাগকে আরও সমন্বিতভাবে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে করদাতার তথ্য, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, কর পরিশোধ ও বকেয়া রাজস্বের তথ্য একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এনবিআরের রূপরেখায় স্বল্পমেয়াদে কর-জিডিপি অনুপাত ৮ দশমিক ৮ শতাংশ এবং মধ্যমেয়াদে ১০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে ২০৩৫ সালের মধ্যে তা ১৫ শতাংশে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংসদীয় কমিটিতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ বছরে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত বেশির ভাগ সময় ৭ থেকে ৮ শতাংশের মধ্যে ছিল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ অনুপাত ছিল ৬ দশমিক ৭ শতাংশ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।

রাজস্ব বাড়াতে শুধু করের হার বৃদ্ধি নয়, করের আওতা সম্প্রসারণ, ডিজিটাল ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, তথ্যের ব্যবহার এবং করদাতাদের পরিপালন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে এনবিআর।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি করদাতার জন্য সমন্বিত তথ্যভান্ডার, তৃতীয় পক্ষের তথ্যের সঙ্গে করদাতার তথ্য যাচাই, কর পরিশোধ ও বকেয়া রাজস্বের সমন্বিত ডেটাবেজ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অভিন্ন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ রয়েছে।

এ ছাড়া কাস্টমস অটোমেশন, সিঙ্গেল-উইন্ডো সেবা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং রাজস্ব প্রশাসনের দক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

এনবিআর জানিয়েছে, এসব সংস্কারের মাধ্যমে একদিকে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এবং অন্যদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পোন্নয়নকে সহায়তা করার লক্ষ্য রয়েছে।